Yearly Archives: 2017

19Jun/17

সিটেজেন চার্টার

প্রশাসন বিভাগ
সংস্থাপন শাখা
সেবা সমূহ নিয়ম/প্রক্রিয়া
কক্ষ নং- ১ ক) যাবতীয় চিঠিপত্র গ্রহণ, অভিযোগ ও বিভিন্ন আবেদনপত্র গ্রহণ এবং যাবতীয় চিঠিপত্র প্রেরণ। পৌর নাগরিকদের উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ফেনী পৌরসভার প্রশাসনিক ভবনের সংস্থাপন শাখায় যাবতীয় চিঠিপত্র, অভিযোগপত্র ও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় এবং আবেদনের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ শাখা কর্তৃক তাহা নিষ্পন্ন করা হয়। উক্ত শাখা হতে যাবতীয় চিঠিপত্র প্রেরণ করা হয়।
খ) নাগরিক, বৈবাহিক, ওয়ারিশ ও পারিবারিক সনদসহ বিভিন্ন প্রত্যয়ন পত্র (বাংলা ও ইংরেজীতে) প্রদান। নাগরিক প্রত্যয়নপত্র, বৈবাহিক, আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও অন্যান্য সনদপত্র ধার্য্য ফি বাংলা ২০/- ইংরেজী ৫০/-, ওয়ারিশসনদ/ফ্যামিলি সনদ (প্রতিজনের) ফি ১০০/-। এরূপ সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে সাদা কাগজে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে এবং আবেদনপত্রের উপর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ ও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ মর্মে প্রত্যয়ন থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ভোটার আইডি কার্ড সংযুক্ত করতে হবে (ভোটার আইডি কার্ড আবেদন কারীর না থাকিলে তাহার পিতা/মাতার আইডি কার্ডের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে)। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহ আবেদন জমা দেয়ার পর নাগরিক সনদপত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে এবং অন্যান্য সনদপত্র ০৩ (তিন) কার্য দিবসের মধ্যে প্রদান করা হয়।
গ) মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দের নাম, ফোন নম্বর ও সীল সহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান। মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দের নাম, ফোন নম্বর ও সীল সহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংস্থাপন শাখায় সংরক্ষণ করা হয়।
ঘ) পারিবারিক আদালত সংক্রান্ত বিচার কার্যক্রম (সালিশ)। মেয়র মহোদয়ের বরাবরে অভিযোগ/আবেদনপত্র দাখিল করিলে মেয়র মহোদয়ের নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত নিস্পত্তির  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ঙ) ভিজিএফ, ভিজিডি, ঝুঁকিহ্রাস কর্মসূচী, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা প্রদান কার্যক্রম। সরকারী বরাদ্ধ অনুযায়ী ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ কর্তৃক দাখিলীয় তালিকা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
চ) পৌর এলাকায় অবস্থিত ফোরকানিয়া মক্তব পরিচালনা। পৌর এলাকায় অবস্থিত ফোরকানিয়া মক্তবের সভাপতি/ সম্পাদকের আবেদনের উপর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মতামতের ভিত্তিতে পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফোরকানিয়া মক্তব পৌর রেজিষ্ট্রারে তালিকাভূক্ত করা হয় এবং নিয়োগকৃত শিক্ষকের ভাতা প্রদান করা হয়।
কক্ষ নং- ২ রিক্সা মালিক লাইসেন্স ও রিক্সা চালক লাইসেন্স প্রদান। পৌর এলাকায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে জনগণের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে সীমিত সংখ্যাক রিক্সা মালিক ও চালক লাইসেন্স প্রদান করা হয়। যাহা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে পৌর পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত ফি আদায় পূর্বক লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

রিক্সা লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্য রিক্সা লাইসেন্স শাখা হতে যথা-সময়ে জানা যায়।

কক্ষ নং- ৪ ক) হোল্ডিং কর পরিশোধ ও বকেয়া কর আদায়। ক. আর্থিক বছরের শুরুতে পৌরসভা কর্তৃক পৌর হোল্ডিং করের কম্পিউটারাইজড় বিল প্রতিটি হোল্ডিংয়ে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। উক্ত বিলে উল্লেখিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিলে উল্লেখিত ব্যাংকে হোল্ডিং মালিকগণ নিজেই সরাসরি বিল পরিশোধ করতে পারে। এছাড়া পৌরসভা অফিসের কর আদায় শাখায় নির্দিষ্ট কাউন্টারে পৌরকর পরিশোধ করা যায়।

খ. জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ম কিস্তিতে কোন কর দাতা একসঙ্গে এক বছর অর্থাৎ চার কোয়াটার পৌরকর একসাথে পরিশোধ করিলে দেয় করের উপর ১০% রিবেট, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ কর পরিশোধ করিলে দেয় করের উপর ৭% হারে রিবেট সুবিধা পাবেন।

গ. হাল সনের পৌরকর যথাসময়ে পরিশোধ করা না হলে নির্ধারিত আর্থিক বছর হাল সনের বকেয়ার উপর ৫% সারচার্জ আরোপিত হয়। এরূপ বকেয়া কর পরিশোধ না করা পর্যন্ত বকেয়ার উপর ৫% হারে সারচার্জ আরোপিত হতে থাকে।

খ) ট্রেড লাইন্সেস ইস্যু ও নবায়ন। ক. ফেনী পৌর এলাকার পেশা, ব্যবসা বাণিজ্য এবং জীবিকা বৃত্তির উপর আদর্শ কর তফসিল’২০০৩ অনুযায়ী নির্ধারিত হারে ফি আদায় পূর্বক ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ১০/- মূল্যের নির্ধারিত ফরম পূরনক্রমে ভাড়ার চুক্তিপত্র/ ভাড়ার রশিদ ও পৌরকর পরিশোধ সহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ নিয়ে ফরম দাখিল করিলে  সরেজমিনে তদন্তক্রমে ০৩ (তিন) কায্য দিবসের মধ্যে ট্রেড লাইন্সেস প্রদান করা হয়।

খ. পরবর্তীতে ইস্যুকৃত ট্রেড লাইসেন্স বছর ভিত্তিক নির্ধারিত নবায়ন ফি জমা প্রদানের মাধ্যমে ০১ (এক) কার্য্য দিবসের মধ্যে নবায়ন করা হয়।

কক্ষ নং- ৫ ক) পঞ্চ-বার্ষিকী হোল্ডিং কর নির্ধারণ। ক. পৌর এলাকার বাড়ী/ঘরের সঠিক মালিকের নাম, গৃহের বিবরণ ও পরিমাপ স্বরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহিত তথ্যের উপর পৌর করের বিধান মতে কর ধার্য্য করিয়া কর দাতাকে ধার্য্যকৃত করের উপর আপত্তি থাকিলে আপত্তি দাখিলের জন্য নোটিশ করা হয়।

খ. বিধিমতে আপত্তি দরখাস্তের শুনানী রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।

গ. ট্যাক্সেশান রুল’১৯৬০ এর ৩০ ধারা অনুযায়ী এসেসমেন্ট তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

খ) হোল্ডিং এর নাম পরিবর্তন/ বিভক্তি করণ এবং অন্তবর্তী এসেসমেন্ট সম্পন্ন করণ। নাম পরিবর্তন ও বিভক্তি করণের ক্ষেত্রে মালিকানা সম্পকৃত দলিলপত্র ও দখল যাচাইক্রমে পৌর পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্ধারিত ফি গ্রহণক্রমে ১ মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পঞ্চ-বার্ষিকী কর নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর পরবর্তী রি-এসেসমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের নতুন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন বাড়ী/ঘরের বিধি অনুযায়ী অন্তবর্তী কালিন এসেসমেন্ট সম্পন্ন করা হয়।

কক্ষ নং- ১৪ হাট-বাজার, বাসর্টামিনাল ও নিজস্ব মার্কেট এর কক্ষ বরাদ্ধ ও ভাড়া নির্ধারণ। ক. ফেনী পৌরসভার মালিকীয়/ নিয়ন্ত্রনাধীন বাজার, বাসটার্মিনাল, মহাল সমূহ দরপত্র গ্রহণের মাধ্যমে বাৎসরিক ইজারা প্রদান করা হয়।

খ. পৌরসভা মালিকানাধীন মার্কেট সমূহের দোকান কক্ষ বিধি মোতাবেক পৌর পরিষদের অনুমোদনক্রমে বরাদ্ধ প্রদান ও ভাড়া নির্ধারন করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ
স্বাস্থ্য শাখা
কক্ষ নং- ৬ ক) পৌরবাসীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান। পৌর এলাকায় বসবাসকারী গরিব, দুস্থ ও অসহায় জনগণকে পৌরসভায় কর্মরত মেডিকেল অফিসারের মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রতিদিন সকাল ৯.০০ ঘটিকা হতে বিকেল ৫.০০ পর্যন্ত বিনামূল্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। ইহা ছাড়াও :

ক. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ইপিআই (টিকাদান কর্মসূচী) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

খ. সরকার ঘোষিত জাতীয় টিকা দিবস (এনআইডি) গুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়।

গ. পৌরসভার ১৬টি স্থায়ী অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে নির্ধারিত তারিখে মা ও শিশুদের টিকা দেওয়া হয়।

খ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও সনদপত্র প্রদান। জন্ম-মৃত্যু সম্পর্কে তথ্য প্রাপ্ত হইয়া প্রাপ্ত তথ্যের উপর যাচাই বাছাইক্রমে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ/প্রতিবেদন এবং জন্ম তারিখের সঠিক প্রমানক গ্রহনক্রমে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করা হয় এবং বিধি মোতাবেক নির্ধারিত ফি বাংলা ইংরেজী ১৮ বছরের উর্দ্ধে ৫০/- দ্বিনকল ২৫/- সংশোধণ ৩৫/- আদায়ের মাধ্যমে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
গ) পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম। ক. পৌর এলাকায় প্রতিদিন ভোর ৪.০০ ঘটিকা হতে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী দ্বারা ময়লা আবর্জনা অপসারণ, রাস্তা-ফুটপাত ঝাড়ু দেয়ার কাজ শুরু করা হয় এবং সাথে সাথে আহরণকৃত ময়লা আবজনা অপসারণ করা হয়।

খ. পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি বছর মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

গ. পরিচ্ছনা সর্ম্পকৃত কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তা সাথে সাথে নিষ্পন্নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

ঘ) বিশুদ্ধ খাদ্য লাইসেন্স প্রদান। ক. পৌর এলাকায় বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্য ব্যবসার উপর সরেজমিনে যাছাই বাছাইক্রমে প্রতিটি লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০০/- হারে ফি আদায় করে প্রে মিসেস লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

খ. পৌর জবেহ খানায় যে সমস্তপশু জবাই করা হয় তাহা পৌর সেনেটারী ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরীক্ষা করা হয় এবং রোগমুক্ত পশুর উপর পৌরসভার সীল মারা হয়।

গ. জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্দোগ্যে প্রতিমাসে পচাঁ, বাসি ও ভেজাল যুক্ত খাদ্য দ্রব্যের উপর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

ঙ) বে-ওয়ারিশ লাশ দাফন। বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে প্রশাসন কর্তৃক সনাক্তকৃত লাশ সমূহ পৌরসভার খরছে পৌরসভার মালিকীয় কবরস্থান দাফন করা হয়।
প্রকৌশল বিভাগ
কক্ষ নং- ক) রাস্তাঘাট, ড্রেন, নালা, নর্দমা, পুল, কালর্ভাট, গাড ওয়াল ও চুঙ্গিঁ নির্মাণ ও সংস্কার করণ। মেয়র মহোদয় ও পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পৌর এলাকায় পৌরবাসীর চাহিদার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, ড্রেন, নালা, নর্দমা, পুল, কালর্ভাট, গার্ড ওয়াল ও চুঙ্গিঁ নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়।
খ) পৌর এলাকায় পাকা, সেমিপাকা, কাচাগৃহ ও বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ অনুমোদন সংক্রান্ত। ক. পৌর এলাকায় ভবন নির্মানের জন্য নক্সা অনুমোদনের ক্ষেত্রে হিসাব শাখা হতে নির্ধারিত ফি ৩০০/- মূল্যের আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রস্তাবিত ইমারত নির্মাণের বিশদ বিবরণ সম্বলিত নক্সা জমা প্রদান করতে হয়।

খ. প্রস্তাবিত জায়গার মালিকানা প্রমান স্বরূপ দলিল, নামজারী খতিয়ান, ভূমি কর পরিশোধক্রমে হাল নাগাদ হোল্ডিং কর পরিশোধ (যদি থাকে) এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ সহ দাখিল করা হলে সরেজমিনে তদন্তকরে পৌর পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ফি যে কোন তফসিল ব্যাংকে পে-অর্ডার এর মাধ্যমে জমা প্রদানের পর ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে ভবন নির্মানের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।

গ) সড়ক খননের অনুমতি পত্র। ক. পানি-গ্যাস টেলিফোন লাইন ইত্যাদি সংযোগের নিমিত্তে অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদনপত্র নির্ধারিত ফি ১০০/- মূল্যের ফরম হিসাব শাখা হতে সরবরাহ করা হয়।

খ. সরবরাহকৃত ফরম পূরন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ ও পৌরকর পরিশোদের ফটোকপিসহ জমা প্রদান করতে হয়।

গ. আবেদন ফরম জমা প্রদানের ০৩ (তিন) কার্য্য দিবসের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চাহিদাপত্র প্রস্ত্তত করা হয়।

ঘ. চাহিদাপত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা প্রদানের পর এক কার্য্য দিবসের মধ্যে সড়ক খননের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়।

ঘ) পানি সংযোগ প্রদান/ লাইন মেরামত ও পানির বিল সংক্রান্ত। ক. পৌর এলাকার হোল্ডিং মালিকগণ ফেনী পৌরসভার পানি সরবরাহ শাখার ০১ নং ওয়ার্ড দাউদপুর ব্রীজ সংলগ্ন অফিস থেকে নির্ধারিত ফি ১০০/- হারে ফরম সংগ্রহ করে হাল নাগাদ পৌর কর পরিশোধের কপি সহ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ গ্রহণ করে পানি সরবরাহ শাখায় জমা প্রদান করতে হয়।

খ. স্বরেজমিনে পরিদর্শক/অনুমোদিত কর্মকর্তা কর্তৃক আবেদনকৃত জায়গা/গৃহ এলাকা তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট দাখিল সহ ০৩ (তিন) দিনের মধ্যে চাহিদাপত্র প্রস্ত্তত করা হয়।

গ. চাহিদাপত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে রাস্তা কাটার ক্ষতি পূরণ ও সংযোগ ফি জমা দেওয়ার ০৩ (তিন) কার্য দিবসের মধ্যে পানি সংযোগ দেওয়া হয়।

ঘ. পানির লাইন সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পানির পাইপ লাইন মেরামত করা হয়।

ঙ) বস্তি উন্নয় কার্যক্রম। ক. দরিদ্র জনগোষ্ঠি/ বস্তিবাসিকে সংগঠিত করে সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুঁজি সৃষ্টি করা হয়।

খ. দরিদ্র জনগোষ্ঠি/ বস্তিবাসীকে আত্মকর্ম সংস্থানের মাধ্যমে ঋণ প্রদান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

গ. দরিদ্র জনগোষ্ঠি/ বস্তিবাসী অধ্যুসিত এলাকার ৬-৭ বছর বয়স্ক ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলগামী করে গড়ে তোলা হয়।

ঘ. বস্তি/ দরিদ্র জনগোষ্ঠির মাঝে দল গঠন করা হয়। কয়েকটি দল নিয়ে একটি বস্তি উন্নয়ন কমিটি করা হয়। প্রতিটি কমিটির মাধ্যমে বস্তি এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

19Jun/17

টীকাদান কেন্দ্রের তালিকা

ফেনী পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা ও কার্যদিবস

 

পৌরসভর স্থায়ী কেন্দ্রসমূহঃ

 

ক্রমিক নং  কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা াস্তবায়নকারী স্ংস্থার নাম   

 

কার্যদিবস

 

1. ফেনী পৌরসভা কার্যালয় ফেনী পৌরসভা সোম/ বুধ/ বৃহঃ বার
2. পুরাতন হাসপাতাল ’’ রবি/ মঙ্গল/ বৃহঃ বার
3.  জেলা সদর হাসপাতাল ’’ রবি হইতে বৃহঃবার
4.  প্রশান্তি ক্লিনিক ’’ ’’
5. মেরী ষ্টোপস্ ক্লিনিক ’’ রবি / মঙ্গলবার

 

 

 

পৌরসভার অস্থায়ী কেন্দ্রসমূহঃ

 

ক্রমিক নং কেন্দ্রের নাম ঠিকানা ফেনী পৌরসভা কার্যদিবস
1. মেহেদী সাইদী দাতব্য চিকিৎসালয়, রামপুর ’’ প্রতি বুধবার
2. মেহেদী সাইদী দাতব্য চিকিৎসালয়, বিরিঞ্চি ’’ প্রতি বৃহস্পতিবার
3. চেতনা স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প, পূর্ব উকিল পাড়া ’’ প্রতি মঙ্গলবার
4. পূর্ব বিজয় সিংহ, সাইক্লোন সেন্টার ’’ প্রতি রবিবার
5. পূর্ব মধুপুর প্রাঃ বিদ্যালয় ’’ প্রতি রবিবার
6.  পশ্চিম মধুপুর প্রাঃ বিদ্যালয় ’’ প্রতি সোমবার
7.  উত্তর চাড়িপুর প্রাঃ বিদ্যালয় ’’ প্রতি রবিবার
8.  মধ্যম চাড়িপুর প্রাঃ বিদ্যালয় ’’ প্রতি সোমবার
9.  পূর্ব বিজয় সিংহ মেহেদী সাঈদী দাঃ চিকিৎঃ ’’ প্রতি মঙ্গলবার
10.  নুরুল হক সাহেবের বাড়ী, বারাহিপুর ’’ প্রতি বৃহস্পতিবার
11.  সিরাজুল ইসলাম কমিউনিটি প্রাঃ বিদ্যালয় ’’ প্রতি বৃহস্পতিবার
12. ভূঞা বাড়ীর দরজা, উত্তর ডাক্তার পাড়া, ফেনী ’’ প্রতি মঙ্গলবার

 

11Jun/17

পৌর সম্পর্কিত

১৮৮৬ সালে বৃহত্তর নোয়াখালীর একটি উল্লেখযোগ্য জনপদ হিসেবে ফেণীর যাত্রা শুরু হয়, ফেনীর অসংখ্য কৃতি সন্তানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে ফেনী দেশের একটি অন্যতম আধুনিক জেলায় পরিনত হয়েছে, ১৯৫৮ সালে ৬.৪৮ বর্গ কি: মি: আয়তন নিয়ে ফেণী পৌরসভা যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ২৮.২০ বর্গ কি: মি: আয়তন বিশিষ্টি ১৮টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ফেনী পৌরসভা দেশের অন্যতম একটি বৃহৎ পৌরসভায় পরিণত হয়েছে, ফেণী পৌরসভার লোকসংখ্যা বর্তমানে  প্রায় ৩ লক্ষ ।

11Jun/17

টেন্ডার নোটিশ

১৮৮৬ সালে বৃহত্তর নোয়াখালীর একটি উল্লেখযোগ্য জনপদ হিসেবে ফেণীর যাত্রা শুরু হয়, ফেনীর অসংখ্য কৃতি সন্তানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে ফেনী দেশের একটি অন্যতম আধুনিক জেলায় পরিনত হয়েছে, ১৯৫৮ সালে ৬.৪৮ বর্গ কি: মি: আয়তন নিয়ে ফেণী পৌরসভা যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ২৮.২০ বর্গ কি: মি: আয়তন বিশিষ্টি ১৮টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ফেনী পৌরসভা দেশের অন্যতম একটি বৃহৎ পৌরসভায় পরিণত হয়েছে, ফেণী পৌরসভার লোকসংখ্যা বর্তমানে  প্রায় ৩ লক্ষ ।

08Jun/17

অভিযোগ ও পরামর্শ

অাপনার অভিযোগ ও গুরুত্বপূর্ন মতামত দিয়ে পৌরসভা কে সহায়তা করুন

 

Verification

07Jun/17

মেয়রের বার্তা

                                                       
অাসসালামু অালাইকুম
আমি এবং আমার পরিষদের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই হৃদয়ের উষ্ণ অভিবাদন। সাধক পীর সৈয়দ আমির উদ্দিন (রঃ) ওরপে পাগলা মিয়ার স্মৃতিধন্য এ ফেনী পৌরসভা। আমি এই পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের সুযোগ পেয়ে পরম করুণাময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট আশেষ শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। স্বাধীনতার পতাকা আনতে গিয়ে রক্তাক্ত হয়ে যাঁরা এই স্বাধীন বাংলার মাটিতে ঘুমন্ত অবস্থায় আছেন সেই বীর শহীদদের পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। বাঙালি জাতির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মহুতি দিয়ে যারা আমাদের চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে আছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন গনতান্ত্রিক আন্দোলনের বীর সেনানীবৃন্দ, যারা আমাদের মাঝে থেকে অনুপ্রেরণা ও সাহস যুগিয়ে যাচ্ছেন তাদের জানাই প্রাণঢালা অভিন্দন। আমি আজকে আরও শ্রদ্ধা ও বিনয়ের সাথে স্মরণ করছি বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সু-মহান ব্যক্তিত্ব ও সর্বগুণে মরহুম জনাব খাজা আহম্মদ সাহেব, কবি নবীন চন্দ্র সেন এবং তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক জনাব মিজানুর রহমান সাহেবসহ যাঁদেরকে দিয়ে গড়া এই শহর এবং যাদের স্মৃতি বিজড়িত এই ফেনী পৌরসভা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ অবধি যারা পৌরবাসীর কল্যাণে নিবিদিত ছিলেন তাদের প্রতিও জানাই অকৃত্তিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। এই পৌরসভা আপনার আমার সকলের। এ পৌরসভাকে সার্বজনীন একটি প্রতিষ্টানে পরিণত করতে আমার বিরামহীন প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। পৌরবাসীর খেদমত করার জন্য যে দায়িত্ব আপনারা আমাকে দিয়েছেন তা পালনের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো। আপনাদের ভালবাসা পেলে ইনশাল্লাহ আগামী দিনগুলোতেও নিরন্তর সেবা করতে পারব। আমরা যেতে চাই আলোর দিকে, অন্ধকারে নয়। আসুন সবাই দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে গড়ে তুলি আধুনিক পৌরসভা। আপনাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা আমাদেও ভবিষ্যৎ চলার পথে পাথেয় হয়ে থাকবে। আসুন আমরা স্থাপন করি সৌহার্দ আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। আপনারা ভাল থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন এ প্রত্যাশা রেখে সবাইকে আমার ও পরিষদের পক্ষ হতে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার বক্তৃতা শেষ করছি।
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক ॥
আল্লাহ হাফেজ।
হাজী আলাউদ্দিন
মেয়র
ফেনী পৌরসভা, ফেনী।
29May/17

প্রখ্যাত ও বিশেষ ব্যক্তিত্ত্ব

হাবিবুল্লাহ বাহার চৌধুরী

জন্মঃ ১৯০৬ সাল, ফেনী।মৃত্যূঃ ১৫ এপ্রিল, ১৯৬৬।

রাজনীতিক, সাংবাদিক, ফুটবল খেলোয়াড়: ফেনীর এ কৃতিপুরুষ ৪০এর দশক থেকে বাঙালী মুসলমানদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অবদান রাখেন। তিনি ছিলেন কলকাতা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অন্যতম স্থপতি। ১৯৩৩ সালে কলকাতা থেকে ‘বুলবুল’ নামে তিনি একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৪৬ সালে ফেনী অঞ্চল থেকে নির্বাচিত আইন সভার সদস্য এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম স্বস্বস্থ্যমন্ত্রী।

 
ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম
জন্মঃ ১৯২৫ সাল, লক্ষণপুর গ্রাম (বর্তমান সালাম নগর), দাগনভূঁঞা, ফেনী। মৃত্যূ: ০৭ এপ্রিল, ১৯৫২, ঢাকা।
মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে পুলিশের গুলিতে আহত হন। দেড় মাস ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৯৫২ সালের ০৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীন
জন্মঃ ৩১ মার্চ ১৯৩১ সাল,৩৬০,নাজির রোড, ফেনী (বর্তমানে শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক)।
মৃত্যূঃ ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহিত্যিক, কবি, লেখিকা, বুদ্ধিজীবী শহীদ সাংবাদিক সেলিনা্ পারভীন রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে পাকিস্তানী ও তাদের এ দেশীয় দালাল রাজাকার, আ্লবদর বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। তিনি কর্মজীবনের শুরুতে ‘ললনা’ পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকা ‘শিলালিপি’র প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ‘শিলালিপি’তে তিনি অক্ষয় অমর হয়ে থাকবেন সমস্ত অত্যাচারিত নারীদের সাহস ,শক্তি ও প্রেরণাদাত্রী হয়ে। মহাকালের শিলালিপিতে উৎকীর্ণ তার নাম অম্লান দীপ্তিতে উদ্ভাসিত থাকবে বিশ্ববাসীর কাছে।
শহীদুল্লাহ কায়সার
জন্মঃ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৭ সাল, মজুপুর গ্রাম, ফেনী।
নিখোঁজঃ ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার এর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ১৯৫২- র ভাষা আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করেন। তার এ অনমনীয় সাহসিকতার জন্য তিনি একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বর তিনি অপহৃত হন এবং আর ফিরে আসেননি। বাংলা সাহিত্যে তিনি যথেষ্ট আলো ছড়িয়েছেন। উপন্যাস, কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, ভ্রমনকাহিনীসহ সাহিত্যের বহুমুখী সৃষ্টিশীল জগতে ছিল তার সদর্প পদচারণা। ‘সারেং বউ’ ‘সংশপ্তক’ এবং ‘কৃষ্ণচূড়া মেঘ’ ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ ‘কুসুমের কান্না ‘চন্দ্রভানের কন্যা’ (গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত) ‘রাজবন্দীর রোজনামচা’ ‘পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ’ (ভ্রমন কাহিনী) পরিক্রমা (প্রবন্ধ সংকলন) তার উলে¬খযোগ্য গ্রন্থ।
জহির রায়হান
জন্মঃ ১৯ আগষ্ট, ১৯৩৫ সাল, মজুপুর গ্রাম, ফেনী। মৃত্যূঃ ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ ঢাকা।
মহান ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ এ কর্মী ২১ ফেব্রুয়ারির ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সময়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী প্রথম ১০ জনের একজন। পরবর্তীতে তিনি একজন সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে দিয়েছেন ভিন্নমাত্রিকতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে সম্পৃক্ত করেছেন আধুনিকতার ধারায়। ‘বরফ গলা নদী’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ ,‘আর কতদিন’ ‘তৃষ্ণা’, ‘হাজার বছর ধরে’ প্রভৃতি তাঁর্ উল্লে¬খযোগ্য উপন্যাস এবং ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘কাঁচের দেয়াল’ তাঁর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ নিয়ে তিনি প্রামান্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ নির্মান করেন যা সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি তাঁর অগ্রজ শহীদুল্লহ কায়সার এর খোঁজে বের হয়ে আর ফিরে আসেন নি।
ড. সেলিম আল দীন
জন্মঃ ১৯ আগষ্ট, ১৯৪৯ সাল, সেনেরখীল গ্রাম, সোনাগাজী, ফেনী। মৃত্যূঃ ১৪ জানুয়ারী,২০০৮
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক, নাট্যতত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়,নাট্যকার ও গবেষক:
কালজয়ী নাট্যকার বাঙালী সংস্কৃতির নবরুপের দ্রষ্টা-স্রষ্টা, খ্যাতনামা অধ্যাপক গবেষক আচার্য সেলিম আলদীন ছিলেন ঔপনিবেশিক সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও শিল্পনন্দনতত্বের সর্বগ্রাসী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মূর্তিমান প্রতিবাদ। বাঙালীর শিল্পতত্বের পাথুরে ভূমিতে পড়ে থাকা বাংলা নাটকের কঙ্কালে প্রাণের ফুল ফোটানো বাঙালী নাটকের বিশ্বায়নে অন্যতম পুরোধা। বাংলা নাট্য আঙ্গিকের ধারণক্ষমতা এবং এর বিচিত্র স্বভাব আবিষ্কারে, নাট্যভাষার ব্যাপক নবীকরণে, সংলাপে গভীর অর্থান্যাসে, দর্শনের নব নব দিগন্তের ছোঁয়ায় সমুজ্জ্বল এবং আঙ্গিকের নতুনতায় স্বতন্ত্র সৃষ্টির আলোক প্রভায় এবং বাংলা নাটকের ইতিহাস বিণির্মানে ও বিশ্বায়নে তিনি ছিলেন তন্নিষ্ট শিল্পী। তিনি প্রবর্তন করেন বিশেষ শিল্পরীতি কথনাট্য এবং প্রতিষ্ঠা করেন গ্রাম থিয়েটার। নাট্য মঞ্চায়ন,আঙ্গিক বিনির্মাণ, নাট্য ভাবনায় প্রতিনিয়ত তিনি অতিক্রম করেছেন নিজেকে । মুনতাসির ফ্যান্টাসী, যৈবতী কন্যার মন, কীর্তন খোলা, প্রাচ্য, বনপাংশুল, নিমজ্জনের মত নাটক রচনা করে বাংলা নাটক ও নাট্যতত্বকে বিশ্ব নাটক ও নাট্যতত্বের পংক্তিভূক্ত করেছেন।
 
সাংবাদিক এবিএম মূসা
১৯৩১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ফেনীর পরশুরাম থানার ধর্মপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার শিক্ষাজীবন কেটেছে চট্টগ্রামের সরকারি মোসলেম হাইস্কুল, নোয়াখালী জিলা স্কুল, ফেনী কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। বিএ প্রাইভেট পরীক্ষা দিয়েছেন চৌমুহনী কলেজ থেকে। কলেজে পড়াকালে সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি চৌমুহনী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘কৈফিয়ত’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে। এ সময়ই জড়িয়ে পড়েন বাম রাজনীতিতে। নিয়মিত লিখতেন সাপ্তাহিক সংগ্রাম ও পাকিস্তান অবজারভারে। এ বি এম মূসা দীর্ঘ ৬৩ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু। ওই বছর তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে যান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসেবে তিনি রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে এ বি এম মূসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন।পারিবারিক জীবনে এবিএম মূসা তিন মেয়ে ও এক ছেলের জনক। স্ত্রী সেতারা মূসা এদেশের নারী সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ। এবিএম মূসার পছন্দের সাংবাদিক অতীতে হ্যারি ইভান্স, বর্তমানে গার্ডিয়ানের রবার্ট ফিস্ক। সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এবিএম মূসা বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে একুশে পদক (১৯৯৯), জেফারসন ফেলোশিপ (১৯৭০), কমনওয়েলথ প্রেস ইউনিয়ন ফেলোশিপ (১৯৬১)।
বিশেষ ব্যক্তিত্ব

 

 
বেগম খালেদা জিয়া
এমপি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, বিরুধীদলীয় নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন,
খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহন করেন।তবে তার পৈত্রিক নিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলায়। তিনি এ জেলায় ফেনী ১ অাসনের সাবেক সংসদ সদস্য।তিনি প্রাক্তন প্রয়াত রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী। তার স্বামীর মৃত্যুর পর ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয় রাজনিতীতে আত্নপ্রকাশ করেন। ১৯৮৪ সালে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন হিসাবে নির্বাচিত হন। অদ্যাবধি তিনি এ দ্বায়িত্বে আছেন। ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহন করেন। ১৯৯৬-২০০১ সন পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদে বিরুধীদলীয় নেত্রী ছিলেন। ২০০১ সারে জাতীয় নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হলে তিনি পুনরায় প্রধানমন্ত্রী দ্বায়িত্বভার গ্রহন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি বিরুধীদলীয় নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।